Thursday, October 10, 2019

আবরার হত্যার আসামি আকাশ, ভ্যানচালক পিতা দিশেহারা

Thursday, October 3, 2019

ঢাবি অধিভুক্ত সাত কলেজের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

ঢাবি অধিভুক্ত সাত কলেজের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ


Saturday, September 28, 2019

বাংলাদেশেও ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের প্রস্তাব


অবৈধ ও কালো টাকার মালিকরা প্রায়ই ব্যাংক ব্যবস্থাকে পাশ কাটিয়ে বাড়িতে বিপুল পরিমাণ অর্থ জমা করছে। এসব অর্থ নানা অবৈধ কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। সরকারও কোনো রাজস্ব পাচ্ছে না এসব অর্থ থেকে। অবৈধ এসব অর্থের অধিকাংশই ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোটে করা হচ্ছে। এ কারণে নোট দুটি বাতিলের প্রস্তাব উঠেছে। এর আগে ভারতও অনুরূপ পদক্ষেপ নিয়েছিল।সম্প্রতি দেশে ক্যাসিনো, জুয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অনেকের বাসা, অফিসে প্রশাসন অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ উদ্ধার করেছে। এতে আটক করা হয়েছে একাধিক ব্যক্তিকে। উদ্ধার হওয়া কোটি কোটি টাকা আয়ের কোনো উৎস বলতে পারছে না আটককৃত ব্যক্তিরা। কালোবাজারি, মাদক, জুয়া, ঘুষ, দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে এসব জমানো অর্থ। অবৈধভাবে আয়ের সব টাকাই বাড়িতে জমিয়ে রাখছে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। অভিযানে দেখা গেছে, উদ্ধার হওয়া অর্থের মধ্যে বেশির ভাগ ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট।ভারত সরকার দেশের এই অবৈধ জমানো টাকা মূল স্রোতে বা বিনিয়োগে নিয়ে আসতে ২০১৬ সালের নভেম্বরে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিল করে। নরেন্দ্র মোদি সরকার এই বিশাল সফলতা পায় সব অবৈধ আয় করা নগদ অর্থ বিনিয়োগে নিয়ে আসাতে। ভারতে ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষেত্রে লেনদেন অনেকাংশে দুই বড় মানের নোটের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়ে থাকে। এসব বড় নোট বাতিল করার ফলে রেকর্ডবিহীন ব্যবসা-বাণিজ্যের লেনদেনের ক্ষেত্রে বড় সফলতা পেয়েছে। এ ক্ষেত্রে ফলত ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে লেনদেনের বিস্তৃতি বেড়েছে। আর এতে আয়ের ওপর আরোপনীয় কর বিশেষ করে আয়কর ও মূল্য সংযোজন কর পরিশোধে বাধ্য হচ্ছে লেনদেনকারীরা। এর বাইরে বেআইনিভাবে প্রাপ্ত বা আয়কর ফাঁকি দিয়ে ব্যাংক ব্যবস্থার বাইরে গৃহে রক্ষিত সম্পদ দুর্নীতি, ঘুষের অর্থ সাধারণত বড় নোট যথা ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট করে রাখা হয়ে থাকে। ভারত সরকার বড় অঙ্কের টাকার নোট বাতিল করার পর এসব দুর্নীতিবাজের অবৈধ সঞ্চয় আহরণ ও রক্ষাকরণের সুযোগ সীমিত হয়ে গেছে।জানতে চাইলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যানে ড. আব্দুল মজিদ বলেন, ‘অবৈধভাবে উপার্জন করেছে যারা, তাদের সব টাকা ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট হয়ে বাসাবাড়িতে স্তূপ হয়েছে, সিন্দুকে রেখেছে। এসব অর্থ বিনিয়োগে আনতে বড় নোট বাতিল করা হবে দেশের অর্থনীতির একটি বড় অর্জন। নির্দিষ্ট সময় দিয়ে ঝটিকা ঘোষণার মাধ্যমে এসব নোট বাতিল করার সময় এসেছে। শুধু বাতিল অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের জন্য নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করা উচিত। ওই সময়ের মধ্যে জরিমানা-কর দিয়ে অর্থ ব্যাংক ব্যবস্থায় জমা করা না হলে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। এমন ঘোষণা দিলে যারা বাসাবাড়িতে টাকা জমিয়েছে সব বের হয়ে যাবে। ২০০৮ সালে এমন একটি ঘোষণা দিয়ে প্রায় ৯০০ কোটি টাকা বাড়তি কর আদায় করা হয়েছিল। ১০ শতাংশ বাড়তি কর হিসেবে এই টাকা আয় করা হয়েছিল। মূল অর্থ ছিল অনেক বেশি। আমাদের অর্থনীতি আরো বেশি গতিশীল হবে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত নিলে।’আরো পড়ুন : বাতিলের প্রস্তাব ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোটস্তাব
অবৈধ ও কালো টাকার মালিকরা প্রায়ই ব্যাংক ব্যবস্থাকে পাশ কাটিয়ে বাড়িতে বিপুল পরিমাণ অর্থ জমা করছে। এসব অর্থ নানা অবৈধ কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। সরকারও কোনো রাজস্ব পাচ্ছে না এসব অর্থ থেকে। অবৈধ এসব অর্থের অধিকাংশই ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোটে করা হচ্ছে। এ কারণে নোট দুটি বাতিলের প্রস্তাব উঠেছে। এর আগে ভারতও অনুরূপ পদক্ষেপ নিয়েছিল।সম্প্রতি দেশে ক্যাসিনো, জুয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অনেকের বাসা, অফিসে প্রশাসন অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ উদ্ধার করেছে। এতে আটক করা হয়েছে একাধিক ব্যক্তিকে। উদ্ধার হওয়া কোটি কোটি টাকা আয়ের কোনো উৎস বলতে পারছে না আটককৃত ব্যক্তিরা। কালোবাজারি, মাদক, জুয়া, ঘুষ, দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে এসব জমানো অর্থ। অবৈধভাবে আয়ের সব টাকাই বাড়িতে জমিয়ে রাখছে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। অভিযানে দেখা গেছে, উদ্ধার হওয়া অর্থের মধ্যে বেশির ভাগ ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট।ভারত সরকার দেশের এই অবৈধ জমানো টাকা মূল স্রোতে বা বিনিয়োগে নিয়ে আসতে ২০১৬ সালের নভেম্বরে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিল করে। নরেন্দ্র মোদি সরকার এই বিশাল সফলতা পায় সব অবৈধ আয় করা নগদ অর্থ বিনিয়োগে নিয়ে আসাতে। ভারতে ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষেত্রে লেনদেন অনেকাংশে দুই বড় মানের নোটের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়ে থাকে। এসব বড় নোট বাতিল করার ফলে রেকর্ডবিহীন ব্যবসা-বাণিজ্যের লেনদেনের ক্ষেত্রে বড় সফলতা পেয়েছে। এ ক্ষেত্রে ফলত ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে লেনদেনের বিস্তৃতি বেড়েছে। আর এতে আয়ের ওপর আরোপনীয় কর বিশেষ করে আয়কর ও মূল্য সংযোজন কর পরিশোধে বাধ্য হচ্ছে লেনদেনকারীরা। এর বাইরে বেআইনিভাবে প্রাপ্ত বা আয়কর ফাঁকি দিয়ে ব্যাংক ব্যবস্থার বাইরে গৃহে রক্ষিত সম্পদ দুর্নীতি, ঘুষের অর্থ সাধারণত বড় নোট যথা ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট করে রাখা হয়ে থাকে। ভারত সরকার বড় অঙ্কের টাকার নোট বাতিল করার পর এসব দুর্নীতিবাজের অবৈধ সঞ্চয় আহরণ ও রক্ষাকরণের সুযোগ সীমিত হয়ে গেছে।জানতে চাইলে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যানে ড. আব্দুল মজিদ বলেন, ‘অবৈধভাবে উপার্জন করেছে যারা, তাদের সব টাকা ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট হয়ে বাসাবাড়িতে স্তূপ হয়েছে, সিন্দুকে রেখেছে। এসব অর্থ বিনিয়োগে আনতে বড় নোট বাতিল করা হবে দেশের অর্থনীতির একটি বড় অর্জন। নির্দিষ্ট সময় দিয়ে ঝটিকা ঘোষণার মাধ্যমে এসব নোট বাতিল করার সময় এসেছে। শুধু বাতিল অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের জন্য নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করা উচিত। ওই সময়ের মধ্যে জরিমানা-কর দিয়ে অর্থ ব্যাংক ব্যবস্থায় জমা করা না হলে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। এমন ঘোষণা দিলে যারা বাসাবাড়িতে টাকা জমিয়েছে সব বের হয়ে যাবে। ২০০৮ সালে এমন একটি ঘোষণা দিয়ে প্রায় ৯০০ কোটি টাকা বাড়তি কর আদায় করা হয়েছিল। ১০ শতাংশ বাড়তি কর হিসেবে এই টাকা আয় করা হয়েছিল। মূল অর্থ ছিল অনেক বেশি। আমাদের অর্থনীতি আরো বেশি গতিশীল হবে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত নিলে।’আরো পড়ুন : বাতিলের প্রস্তাব ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট

প্রভাকে ‘বাজি’ রেখে জুয়া, আলোচনায় রাজিব!

ক্যামেরার সামনে এসেই নিজের অভিনয় দিয়ে আবারো দর্শক মাত করে রেখেছেন এ অভিনেত্রী। এবার তারই ধারাবাহিকতায় আসছে ঈদে ‘বাজি’ শিরোনামের একটি নাটকে অভিনয় করেছেন তিনি। নাটকটি আনকোরার রচনায় নির্মাণ করেছেন অসীম গোমেজ। আর এতে অভিনেত্রীর বিপরীতে অভিনয় করেছেন ইফরান সাজ্জাদ।

নাটকের গল্পে দেখা যাবে, রাজিব নামের এক পুরুষ এসেছে প্রবার জীবনে। যে কিনা পেশায় ইন্টেরিয়র ডিজাইনার। নিজেই কিছু করবে বলে কখনো চাকরিতেও যোগ দেননি। কিন্তু ভাগ্য তার সঙ্গ দেয়নি। এরপর যতবারই দুজনের দেখা হয়েছে ততবারই কোনো না কোনো দুর্ঘটনা ঘটে কণা-রাজিবের। যার কারণে একজন-অন্যজনকে খুবই অপছন্দ করতে থাকে।

নাটকের এক সময় রাজিবের ভাগ্য খুলে যায়। রাজিবের নতুন চাকরি হয়। একদিন ওই অফিসে তার বস দেখে ফেলে কণাকে। এতেই বাধে বিপত্তি। তাকে দেখে নতুন পরিকল্পনা করে রাজীবের অফিসের বস। তার সঙ্গে জুয়া খেলতে চায় সে।
ওই খেলায় রাজীবকে বাধ্য করে স্ত্রী কণাকে বাজি রাখতে। কিছু বোঝার আগে, রাজীবও সেই প্রস্তাবে রাজি হয়ে যায়। এরপর গল্প মোড় নেয় অন্যদিকে।
নাটকে রাজিব চরিত্রের রুপদান করবেন ইফরান সাজ্জাদ এবং কণার চরিত্রে প্রভা। এছাড়া ‘বাজি’ নাটকে আরো একটি বিশেষ চরিত্রে দেখা যাবে আহমেদ রুবেলকে।
জানা গেছে, ঈদের ৫ম দিন সন্ধ্যা ৬টায় বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল দ্বীপ্ত টিভিতে এ নাটকটি সম্প্রচারিত হবে।
ডেইলি বাংলাদেশ/টিএএস

Friday, September 27, 2019

পিরিয়ড চলাকালীন যে কাজগুলো ভুলেও করবেন না

অনলাইন ডেস্ক
প্রতিটি নারীর জন্য পিরিয়ড বা মাসিক খুবই সাধারন একটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া। নিয়মিত মাসিক নারীর শারীরিক সুস্থতাও নিশ্চিত করে। তবে জানেন কি? এই সময় নারীদের কিছু কাজ করা থেকে বিরত থাকা উচিত বলে মনে করেন চিকিৎসকেরা। এক নজরে দেখে নিন পিরিয়ড চলাকালীন যে কাজগুলো ভুলেও করবেন না-
১) ব্যাথা উপশমের ওষুধ: মাসিক শুরু হলে তীব্র ব্যাথায় কষ্ট পান অনেক মহিলাই৷ অসহ্য ব্যাথার হাত থেকে রেহাই পেতে বিভিন্ন ওষুধের শরণাপন্ন হতে হয়৷ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া যদি কেউ দিনের পর দিন বাজারচলতি ওষুধগুলি খেতে শুরু করেন তাতে শরীরে সমস্যা হতে বাধ্য৷ দেখা দিতে পারে হার্ট, লিভার থেকে শুরু করে কিডনির সমস্যাও৷
২) ঘুমের অভাব: কারও কারও দেরিতে বা কম ঘুমনোর অভ্যাস রয়েছে৷ মনে রাখবেন মাসিকের সময় শরীর এমনিতেই দুর্বল থাকে, তাই পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম কিন্তু প্রয়োজন৷

৩) পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি না খাওয়া: অনেকেই বাথরুমে বার বার যাওয়ার হাত থেকে বাঁচতে পানি কম খায়, যা উল্টে বিপদই ডেকে আনে৷ পানি খেলে এই সময় ব্যাথাতেও উপশম হয়৷ তবে অবশ্যই পরিমাণ মতো৷ পারলে চা- কফি জাতীয় তরল পানীয় এড়িয়ে চলুন এ সময়ে৷
৪) শরীরচর্চা থেকে সঙ্গম: এসময় শরীরচর্চা একেবারে বন্ধ না করে ফ্রি-হ্যান্ড এক্সারসাইজ একটু চলতেই পারে৷ তাতে আপনারই লাভ৷ তবে হ্যাঁ, যাদের সমস্যা রয়েছে তাদের কিন্তু একটু বেশি সাবধানী হতে হবে৷ পাশাপাশি শারীরিক মিলনেও এই সময় কিন্তু অতিরিক্ত সতর্ক হতে হবে, কারণ ব্যাকটিরিয়া সংক্রমনের মুখে না হলে পড়তে হবে আপনাকেই৷
৫) কাপড়ের ব্যবহার: এখন স্যানিটারি ন্যাপকিনের ব্যবহার বাড়লেও সর্বত্র, বিশেষ করে গ্রামের দিকে এখনও কাপড় ব্যবহার করেন কেউ কেউ৷ মনে রাখবেন এই সময় কিন্তু ব্যাকটিরিয়া সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে৷ তাই ব্যবহৃত কাপড় পরিষ্কার করে ধুয়ে আবার ব্যবহার করলে তাতে কিন্তু ঝুঁকি কমে যায় না৷
৬) প্যাড বা স্যানিটারি ন্যাপকিন বদলান: এক প্যাডে দীর্ঘক্ষণ না থেকে ৫-৬ ঘন্টা অন্তর বদলে ফেলুন সেটি৷ না হলে ব্যাকটিরিয়াজনিত সমস্যা হলেও হতে পারে৷
বাংলাদেশ জার্নাল/কেআই